The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিমান নিখোঁজ: পাইলট সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য ॥ মালয়েশীয়াকে ক্ষমা চাওয়ার আহবান

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ মালয়েশীয় নিখোঁজ বিমানটির পাইলট সম্পর্কে পাওয়া গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। অপরদিকে ওই বিমানের আরোহীদের আত্মীয়স্বজনরা মালয়েশীয় সরকারকে ক্ষমা চাওয়ার জন্য দাবি করেছেন।


Aircraft Missing-01

মালয়েশীয়ার বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার পেছনে আসলেও পাইলটের কোনো গাফিলতি ছিল কিনা তা নিয়ে নতুন করে চলছে নানা জল্পনা। কারণ মালয়েশীয়ার বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার অল্প কিছুদিন পূর্বে পাইলট জাহারি আহমেদের বিয়ে ভেঙে যায়। এই ঘটনার পর থেকেই নাকি তিনি মারাত্মক মানসিক পীড়নের মধ্যে ছিলেন।

তদনত্মকারী কর্মকর্তারা সে কারণে সন্দেহ করছেন, বিমানটি হারিয়ে যাওয়ার পেছনে পাইলটের কোন ভূমিকা থাকতে পারে। তবে এখন কোনো সুইসাইড নোট কিংবা এ ধরনের কোনো কিছু পাওয়া যায়নি, যা দিয়ে এ সন্দেহ সত্য বলে প্রমাণিত হতে পারে। তারপরও বিমানটি হারিয়ে যাওয়ার পূর্বে পাইলটের মানসিক অবস্থা কেমন ছিল এবং তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা অনুসন্ধান চালাচ্ছে তদনত্ম কর্মকর্তারা।

গতকাল রবিবার ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়, নিখোঁজ বিমানের পাইলটের বিষয়ে প্রথমবারের মতো এমন সব অজানা ও চাঞ্চল্যকর বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ করেছেন ওই পাইলটের স্বজনেরা।

ত্রিশ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল জাহারির। পাইলট জাহারি আহমাদ শাহেরের মেয়ে আয়েশা বলেছেন, ‘আমার বাবা আগের মতো ছিলেন না, তিনি সব সময় অন্যমনস্ক ও বিমর্ষ থাকতেন।’

পাইলট জাহারির বিষয়ে আরও জানা গেছে, স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকেই তিনি তার পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে সব সময় দূরে থাকতেন। বেশিরভাগ সময় তিনি নিজের কাজ নিয়ে ব্যসত্ম থাকতেন। তার পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, আবার বিয়ে-সংক্রানত্ম বিষয়ে ধর্মীয় ব্যক্তিদের পরামর্শ নিতে অস্বীকৃতি জানান জাহারি আহমাদ।

ক্ষমা চাওয়ার আহবান

নিখোঁজ বিমানের বেশিরভাগ চীনা যাত্রীদের আত্মীয়স্বজনরা মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চেয়েছেন। আর এজন্য তারা কুয়ালালামপুরও গেছেন। স্বজনদের অভিযোগ করেছে যে, নিখোঁজ বিমানটি ও যাত্রীদের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য দেয়নি।

গতকাল রবিবার স্বজনরা মালয়েশীয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করে তদনেত্মর অগ্রগতি সম্পর্কে আরো খোলাখুলি জানানোর দাবি করেন। বিভিন্ন সময় ‘বিভ্রানিত্মকর’ তথ্য দেওয়ার জন্য মালয়েশীয় সরকারকে ক্ষমা চাওয়ারও দাবি জানিয়েছে নিখোঁজ বিমানের আত্মীয়স্বজনরা।

উল্লেখ্য, ৮ মার্চ ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে মালয়েশীয় এমএইচ৩৭০ ফ্লাইটটি নিখোঁজ হয়। এই বিমানে ১৫৩ জন চীনা যাত্রী ছিলেন। ১৬ দিন পরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক ঘোষণা দেন, বিমানটি বিধ্বসত্ম হয়েছে এবং সাগরের অতলে চলে গেছে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...