The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

কমলা লেবুর গুণাগুণ জেনে নিন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ স্বাস্থ্যকর ফলের তালিকায় কমলা লেবু একটি জনপ্রিয় ও সহজলভ্য ফল। টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফল শুধু মুখের স্বাদই বাড়ায় না, শরীর সুস্থ রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কমলা লেবুর গুণাগুণ জেনে নিন 1

ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর কমলা লেবু প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখলে নানা উপকার পাওয়া যায়।

কমলা লেবুর সবচেয়ে বড় গুণ হলো এতে থাকা প্রচুর ভিটামিন–সি। এই ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে এবং সর্দি-কাশি, জ্বরসহ নানা সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে। নিয়মিত কমলা লেবু খেলে শরীরে আয়রন শোষণও ভালো হয়, ফলে রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি কমে।

এই ফলে রয়েছে ভিটামিন–এ, বি–কমপ্লেক্স (বিশেষ করে ফলেট) এবং পটাশিয়াম। ভিটামিন–এ চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে, আর ফলেট নতুন রক্তকণিকা তৈরিতে ভূমিকা রাখে। পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সহায়ক। ফলে নিয়মিত কমলা লেবু খেলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমতে পারে।

কমলা লেবুতে থাকা প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন ফ্ল্যাভোনয়েড এবং ক্যারোটিনয়েড শরীরের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। এসব উপাদান বার্ধক্যের প্রভাব কমাতে এবং বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়ক। একই সঙ্গে এগুলো ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে, ত্বককে রাখে সতেজ ও প্রাণবন্ত।

এই ফলের আঁশ বা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। নিয়মিত কমলা লেবু খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে এবং পেট পরিষ্কার থাকে। ফাইবার রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এতে ক্যালরি কম থাকায় ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে কমলা লেবু কার্যকর ভূমিকা রাখে।

কমলা লেবুর রস শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতেও সাহায্য করে। গরমের দিনে বা পরিশ্রমের পর এক গ্লাস কমলা লেবুর রস ক্লান্তি দূর করে ও শরীরে শক্তি জোগায়। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে পরিমিত পরিমাণে কমলা লেবু গ্রহণ উপকারী, কারণ এর গ্লাইসেমিক সূচক তুলনামূলক কম।

কমলা লেবু একটি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ফল যা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত। সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে নিয়মিত কমলা লেবু খেলে শরীর থাকবে সুস্থ, সতেজ এবং রোগ প্রতিরোধে সক্ষম।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

২ মন্তব্য
  1. Aaliyah Duran বলেছেন

    There is definately a lot to find out about this subject. I like all the points you made

  2. Keegan Kent বলেছেন

    You’re so awesome! I don’t believe I have read a single thing like that before. So great to find someone with some original thoughts on this topic. Really.. thank you for starting this up. This website is something that is needed on the internet, someone with a little originality!

bn_BDBengali