জন্মের পরই মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হয় এমন এক আজব সম্প্রদায়ের গল্প!

১৩ বছর বয়সি এক বর ইব্রাহিমকে তার বাবা বিয়ে দেন সদ্যজাত এক মেয়ে শিশুর সঙ্গে!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ জন্ম হওয়ার পরই বাবা-মাকে ব্যস্ত হতে হয় মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য! সত্যিই কি আজব এক দেশ! এমন একটি আজব দেশের খবর রয়েছে আজ। যে দেশে জন্মের পর পরই মেয়েদের বিয়ে দিতে হয়।

কেনিয়ার ওরোমা সম্প্রদায়। এদের নীতি অনুযায়ী বাবা-মায়েরা তাদের কন্যাদের জন্মের পরপরই বিয়ে দিয়ে দেন। কন্যাদের জন্মের পর পরই বিয়ে দেওয়ার এই প্রথাটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘দারারা’। এই ‘দারারা’ প্রথা শত বছর ধরে ওরোমা সম্প্রদায় সমাজে চলে আসছে।

সত্যিই আজব ওই সম্প্রদায়ের এই বিয়ে প্রথা। ১৩ বছর বয়সি এক বর ইব্রাহিমকে তার বাবা বিয়ে দেন সদ্যজাত এক মেয়ে শিশুর সঙ্গে! মেয়ে শিশুটির হাতে গাছের লতা পরিয়ে দেওয়ার মধ্য অনুষ্ঠিত হয় তাদের বিয়ের কাজ।

সদ্যজাত কন্যার বিয়ে প্রসঙ্গে বাবা আব্দি আদোনা বলেছেন, এখন থেকে আমার মেয়ে বড় হতে থাকবে ও ইব্রাহিমের জন্য অপেক্ষা করবে। আমি মরে গেলেও ইব্রাহিম ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি তাকে বিয়ে করতে পারবে না। এটাই আমাদের নিয়ম বা প্রথা।

আব্দি আদোনা আরও জানান, সদ্যজাত কন্যার বিয়ে দেওয়ায় এখন থেকে তার দিকে আর কেও তাকাবে না। আমার মেয়ের ভবিষ্যৎ পুরোপুরি নিরাপদ হলো। তার কোনো বিপদ হলে দুই পরিবার সমবেতভাবে এগিয়ে আসবে। উভয় পরিবারের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। তবে কিসে মেয়ের ভালো হবে সেটা বাবাই ভালো বোঝেন। অর্থাৎ বাবার ইচ্ছাই মেয়ের ইচ্ছা।

কেনিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের তানা নদীর তীরে এই ওরোমা সম্প্রদায়ের বসবাস। এই সম্প্রদায়ের একটি বড় অংশ আবার ইসলাম ধর্মের অনুসারী! এই সম্প্রদায়ের লোকেরা নিজের সদ্যজাত কন্যা সন্তানকে এভাবেই শিশুর সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দেন।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...