The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিকাশ রকেট বা নগদে ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে কী করবেন

বেশির ভাগ ভুক্তভোগীই ফেরত পান না সেই টাকা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মানুষ মাত্রই ভুল হয়। যদি অসাবধানতাবশত মোবাইল ব্যাংকিংয়ে আর্থিক লেনদেনের টাকা ভুল নাম্বারে চলে যায়। তাহলে সেই টাকা ফেরত পেতে কী করবেন? আজ জেনে নিন বিষয়টি।

বিকাশ রকেট বা নগদে ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে কী করবেন 1

বেশির ভাগ ভুক্তভোগীই ফেরত পান না সেই টাকা। এই সমস্যায় কী কী করণীয় তার একটি নির্দেশনা দিয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিসের প্রতিষ্ঠান বিকাশ, রকেট ও নগদ। তিনটি কর্তৃপক্ষ প্রথমেই যে পরামর্শ দিচ্ছেন তা হলো, টাকা ভুল নম্বরে চলে গেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রাপককে ফোন দেবেন না।

কারণ হলো ভুলবশত অন্য নম্বরে টাকা চলে গেলে, তা ফেরত দেওয়ার মানসিকতা খুব কম লোকই রাখেন। তাই তিনি টাকা উঠিয়ে ফেললে ভুক্তভোগীর আর করার কিছুই থাকবে না।

ভুলবশত কোনো নম্বরে টাকা চলে গেলে প্রথমেই কাছের থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। সেখানে ট্রানজেকশন নম্বর নিয়ে জিডি করে যতো দ্রুততর সময়ের মধ্যে সম্ভব সেই জিডি কপি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ওই মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিসের অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

যোগাযোগ করার পর কর্মকর্তারা জিডি কপি এবং মেসেজ খতিয়ে দেখবেন। তারপর ভুলে টাকা চলে গেলে ওই ব্যক্তির বিকাশ রকেট কিংবা নগদ অ্যাকাউন্ট টেম্পোরারি লক করে দেওয়া হবে। যাতে করে তিনি কোনো টাকা তুলতে না পারেন।

পরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন বিকাশ কর্মকর্তারা। প্রাপক ফোন ধরে যদি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ওই টাকা নিজের নয় বলে জানান, তাহলে অফিস থেকেই ওই টাকা নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে স্থানান্তর করে দেন কোম্পানিগুলো।

যদি ওই ব্যক্তি নিজের টাকা বলে দাবি করে বসেন, তবে ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে তাকে প্রমাণসহ অফিসে এসে অ্যাকাউন্ট ঠিক করে নিতে নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সেই নির্দেশনাটি না মেনে যদি পরবর্তী ৬ মাসে ওই ব্যক্তি না আসেন তাহলে ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যাবে। এর পরবর্তী ৬ মাসেও তিনি না এলে অ্যাকাউন্টটি স্থায়ীভাবে অটো ডিজেবল হয়ে যাবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...