দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বাইক প্রিয় ব্যক্তিদের জন্য বাজারে এলো নতুন কয়েকটি মোটরসাইকেল। আজ জেনে নিন বাজারে আসা এইসব মোটরসাইকেল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

সিএফমোটো ৩০০ এসআর
সিএফমোটো ৩০০ এসআর মোটরসাইকেলের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- এর স্পোর্টি ডিজাইন এবং ইঞ্জিন। এটি ২৯৮ সিসি, সিঙ্গেল–সিলিন্ডার (৪ ভালভ), লিকুইড–কুলড, ইএফআই–ডিওএইচসি ইঞ্জিনের একটি বাইক। এটি মাল্টিপ্লেট, স্লিপার ক্লাচের হওয়ায় স্পোর্টি রাইডিং অভিজ্ঞতা দেবে। এতে রয়েছে- এলইডি হেডলাইট, যা রাতের বেলা চমৎকার দৃশ্যমানতা নিশ্চিত করবে। বাইকটিতে আপসাইড–ডাউন ফ্রন্ট ফর্ক এবং রেয়ার মনোশক সাসপেনশন ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভালো হ্যান্ডলিং এবং রাইডিং অভিজ্ঞতাও প্রদান করবে।
ওয়ালটন ই-বাইক টেকিয়ন
কম খরচে বাইক চালানো অর্থাৎ মাত্র ১০ থেকে ১৫ পয়সা প্রতি কিলোমিটারে চলার খরচে এই ই–বাইকগুলো এই সময় হয়ে উঠেছে স্মার্ট, সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের নতুন সমাধানও। টেকিয়ন ১.০০ মডেলটিতে রয়েছে ১.২ কিলোওয়াট রেটেড এবং ১.৫ কিলোওয়াট সর্বোচ্চ ক্ষমতার ডিসি ব্রাশলেস মোটর, যা প্রতি ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতি দেয়। উন্নত মোটরের পাশাপাশি এতে রয়েছে ৮৮ এনএম পর্যন্ত টর্ক, যা দ্রুত গতি বাড়াতেও সাহায্য করে ও স্মুথ রাইডিংও নিশ্চিত করে। ২৬এএইচ ব্যাটারির মডেলটি একবার চার্জ দিলে ৭০ হতে ৮০ কিলোমিটার, ৩৮এএইচ ব্যাটারির মডেলটি ১২০ হতে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলে।
আকিজ দুর্দান্ত
এবার আকিজের বাইকও উঠে এসেছে। আকিজের দুর্দান্ত বাইকে ৩০০০ ওয়াটের এক শক্তিশালী মোটর ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতি ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার সর্বোচ্চ গতি অর্জন করতেও সাহায্য করে। এই বাইকে গ্রাফিন ভিআরএলএ কিংবা লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহারের সুবিধাও রয়েছে, যা এটিকে এক চার্জে ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ চলার ক্ষমতাও দেয়। এ ছাড়াও এতে হাইড্রোলিক ডিস্ক ব্রেক, রিভার্স রানিং সিস্টেম ও প্রজেকশন এলইডি হেডলাইটের মতো আধুনিক ফিচারগুলো রয়েছে।
অ্যাপাচি আরটিআর ১৬০ ফোরভি আরটিএফআই
টিভিএসের অ্যাপাচি আরটিআর ১৬০ ফোরভি আরটিএফআই পাওয়ার এবং পারফরম্যান্সের জন্য একটি নতুন মানদণ্ডও স্থাপন করেছে। এতে আরও রয়েছে ফুয়েল ইনজেক্টেড ১৫৯.৭ সিসি পাওয়ারফুল ইঞ্জিন। এর ওথ্রিসি কিংবা ওয়েল–কুলড টেকনোলজি এবং র্যাম–এয়ার অ্যাসিস্ট ইঞ্জিন ঠাণ্ডা রাখবে সাধারণ ইঞ্জিনের থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। ১৬০ সিসি শ্রেণিতে সবথেকে পাওয়ারফুল এই ইঞ্জিন ৯২৫০ আরপিএমে ১৭.৫৫ পিএস শক্তি উৎপাদন করতেও সক্ষম। ৪টি ভালভসমৃদ্ধ এই মোটর সাইকেলটিতে রয়েছে ডাবল ব্যারেল এগজস্ট, যা ইঞ্জিনকে দেবে স্মুথ রেসিং সাউন্ড। এই বাইকটিতে এবিএস ব্রেকিংয়ের সঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে ২৭০ এমএম রোটো পেটাল ফ্রন্ট এবং ২০০ এমএম রিয়ার ডিস্ক ব্রেক, যা গাড়ির গতি কমিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঝুঁকিমুক্ত ব্রেক এর নিশ্চয়তা দেবে।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org
I very delighted to find this internet site on bing, just what I was searching for as well saved to fav
I like the efforts you have put in this, regards for all the great content.
I just like the helpful information you provide in your articles
You’re so awesome! I don’t believe I have read a single thing like that before. So great to find someone with some original thoughts on this topic. Really.. thank you for starting this up. This website is something that is needed on the internet, someone with a little originality!
I really like reading through a post that can make men and women think. Also, thank you for allowing me to comment!