The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

তামান্না ভাটিয়া বললেন এতো সম্পদ নিয়ে আমি কী করবো তা জানি না

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ১৫ বছর বয়সে ‘চাঁদ সা রোশন চেহরা’ সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন বলিউড অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। তিনি অভিনয় জীবনের ২২টি বছর কাটিয়ে ফেলেছেন।

তামান্না ভাটিয়া বললেন এতো সম্পদ নিয়ে আমি কী করবো তা জানি না 1

তিনি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অভিনয় করেছেন, সিনেমাতে আইটেম ডান্স করেছেন, একের পর এক পণ্যের বিজ্ঞাপনের মুখ হচ্ছেন তিনি, আবার তিনি নিজের ব্যবসাও চালাচ্ছেন একইসঙ্গে। দুহাতে অর্থ উপার্জন করেছেন এই অভিনেত্রী।

এক কথায় বলা যায়, ৪০ বছরের উপান্তে এসে অর্থের পেছনে পাগলের মতোই দৌড়াচ্ছেন অভিনেত্রী। তবে তামান্না নিজে বলেছেন, অর্থের প্রতি তার কোনো মোহ নেই। তিনি এইসব কিছু করছেন, শুধুমাত্র একটি লক্ষ্যপূরণেই!

ইতিমধ্যেই অভিনয় জীবনের ২২টি বছর কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। ২০২৬ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে তিনি অতি পরিচিতিরও একটি নাম। তাই সেই অর্থে সফল। তবে তামান্নার মোট সম্পত্তির পরিমাণ শুনলে চমকে যেতে হয়। সম্প্রতি এই বিষয়ে প্রকাশ্যে আসা কিছু তথ্যে জানা গিয়েছে যে, তামান্না ১০০ কোটিরও বেশি অঙ্কের সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।

মুম্বাইয়ের অভিজাত এলাকায় তার একটি সাজানো-গোছানো সমুদ্রমুখী বিরাট অ্যাপার্টমেন্টও রয়েছে। এর বারান্দায় রয়েছে বিলাসবহুল জাকুজি। রয়েছে ওয়াক ইন ক্লজেট। শুধু খাওয়ার জায়গাটির সাজসজ্জা- যা দেখলেই বিস্মিত হতে হয়। দামি সব আসবাব ও চিত্রকলা তো রয়েছেই।

একাই থাকেন। এতো সম্পদ নিয়ে তাহলে করবেন কী? এক সাক্ষাৎকারে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তামান্না বলেছেন, জানি না এতো সম্পদ নিয়ে আমি কী করবো। মৃত্যুর পরে তো কেও টাকা-পয়সা সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারে না। তবুও আমার নিজের মধ্যে একটা ঝোঁক কাজ করে; আমি সেই ঝোঁকের মাথাতেই কাজ করতে থাকি। তার অর্থ এই নয় যে, আমি টাকার পেছনে ছুটি।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali