ব্রাক্ষণবাড়িয়ার ঐতিহাসিক ভাদুঘর শাহী মসজিদ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। আজ শুক্রবার, ৮ এপ্রিল ২০১৬ খৃস্টাব্দ, ২৫ চৈত্র ১৪২২ বঙ্গাব্দ, ২৯ জমাদিউস সানি ১৪৩৭ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

bhadu ghar Shahi Mosque

যে ছবিটি দেখছেন সেটি ব্রাক্ষণবাড়িয়ার ঐতিহাসিক ভাদুঘর শাহী মসজিদ। ভাদুঘর শাহী মসজিদটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত। এই মসজিদের সামনে রয়েছে ঈদগাহ, এটি জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম ঈদগাহ।

ভারতীয় উপমহাদেশে প্রায় ৭শ’ বছর মুসলিম শাসন বিদ্যমান ছিল। যাদের মধ্যে মুঘল শাসকরা অন্যতম। এই মুঘল শাসকদের মধ্যে জিন্দাপীর হিসেবে খ্যাত মহিউদ্দিন মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব আলমগীর (১৬৫৮-১৭০৭) অত্যন্ত খোদাভীরু শাসক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন।

এই মহান বাদশাহ মহিউদ্দিন মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব আলমগীরের রাজত্বকালে ১০৮৪ হিজরিতে সে সময়কার সরাইল পরগণার জমিদার নূর এলাহী ইবনে মজলিশ শাহবাজের তত্ত্বাবধানে ঐতিহাসিক এই ভাদুঘর শাহী মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। ইংরেজী সাল ছিল ১৬৬৩ সাল।

ভাদুঘর মসজিদটি একগম্বুজের মসজিদ হলেও এর আয়তন দৈর্ঘ্য ৪৪ ফুট এবং প্রস্থ ২৪ ফুট। দেওয়ালের পুরুত্ব ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি। এই মসজিদটির মিনার ৭৫ ফুট উঁচু। এর দৈর্ঘ্য প্রস্থ ১২ বাই ৯ ফুট। মসজিদের ভেতরে সৌন্দর্যপূর্ণ কারুকার্য করা রয়েছে।

এই মসজিদটিতে কালো পাথরে ফারসি ভাষায় এর ইতিহাস লেখা রয়েছে। ভাদুঘর শাহী মসজিদের প্রথম ইমাম ছিলেন বাদশাহ আলমগীরের শিক্ষক শায়খ আহমদ ইবনে আবু সাঈদ ইবনে ওবায়দুল্লাহ আল হানাফী আস সিদ্দিকী (শায়খ মোল্লাজিউন রহমাতুল্লাহ আলাইহি)- এর উত্তরসুরী মাওলানা মোল্লা নাসিরউদ্দিন (রহ:)। এই মসজিদটিকে ইতিহাসের একটি অংশ বলা যায়।

ছবি ও তথ্য: www.barisalnews.com এর সৌজন্যে।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...