ইউরোপে বিষাক্ত ডিম নিয়ে তোলপাড়!

ডিমে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ফিপ্রোনিল থাকার বিষয়টি গত জুন হতেই জানা যায়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এক বিষাক্ত ডিম নিয়ে পুরো ইউরোপে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বেলজিয়ামে ঘটেছে এমন একটি ঘটনা। নেদারল্যান্ডসের ফার্ম থেকে পাঠানো ডিমে বিষ থাকতে পারে এমন আশংকার পর তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। বিষয়টি অনেক দূর এগিয়েছে।

সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, বেলজিয়ামের কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, নেদারল্যান্ডসের ফার্ম হতে পাঠানো ডিমে বিষ থাকতে পারে এবং যা কীটনাশক জাতীয় বিষ হতে পারে, এমনটি তারা গত জুন মাসেই জানতেন। তবে বিষয়টি গোপন রাখা হয়। জালিয়াতির আশংকা মাথায় রেখেই তদন্তের কাজ শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ মাধ্যমে বেলজিয়ামের খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক সংস্থার মুখপাত্র ক্যাটরেইন স্ট্রাগিয়ার জানান, ডিমে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ফিপ্রোনিল থাকার বিষয়টি গত জুন হতেই জানা যায়। তখন এই বিষয়টি প্রকাশ না করে দ্রুত তদন্ত শুরু করা হয়েছিল।

এ বিষয়টি সম্ভাব্য কোন জালিয়াতি কিনা তাও নিশ্চিত হতে কৌসুলিকে ব্যাপারটি জানানো হয়। ফিপ্রোনিল নামে ওই বিষাক্ত রাসায়নিক মানুষের শরীরে ঢুকলে কিডনি, লিভার এবং থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফিপ্রোনিল পোল্ট্রি জাতীয় প্রাণীর চামড়ার উকুন ও অন্যান্য কীট মারার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে এই কীটনাশকটি।

বেলজিয়াম, জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডসের সুপারমার্কেট হতে সরিয়ে ফেলা হয়েছে ফিপ্রোনিলযুক্ত কোটি কোটি ওইসব বিষাক্ত ডিম। জার্মানিতে ধ্বংস করা হয়েছে এক কোটিরও বেশি ডিম। জার্মান কৃষিমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে বেলজিয়ামের কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা রয়েছে।

বিবিসি’র এক খবরে বলা হয়েছে, ইউরোপে ডিমের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক দেশ হলো নেদারল্যান্ডস। প্রতিবছর প্রায় এক হাজার কোটির মতো ডিম উৎপাদন করে নেদারল্যান্ডস। তারমধ্যে ৬৫ শতাংশই রপ্তানি হয়ে থাকে ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলোতে। ইতিমধ্যে দেশটির ১৮০টি মুরগির খামার সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...