The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বের নতুন করে আলোচনা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সাম্প্রতিক সময়ে একটি নতুন ধারণা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে- মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপন।

মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বের নতুন করে আলোচনা 1

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং অনলাইন সেবার বিস্তারের কারণে বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টারের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এসব ডেটা সেন্টার পরিচালনার জন্য বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় এবং সেগুলো থেকে প্রচুর তাপও উৎপন্ন হয়। ফলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প সমাধান খুঁজছে।

গবেষকদের ধারণা, পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপিত ডেটা সেন্টার সৌরশক্তি ব্যবহার করে পরিচালনা করা সম্ভব হতে পারে। মহাকাশে সূর্যালোকের প্রাপ্যতা বেশি থাকায় সেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন তুলনামূলক সহজ হতে পারে। একই সঙ্গে মহাকাশের স্বাভাবিক শীতল পরিবেশ ডেটা সেন্টারের কুলিং ব্যয়ও কমাতে সাহায্য করতে পারে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়ন সহজ নয়। মহাকাশে যন্ত্রপাতি পাঠানো এবং সেগুলো দীর্ঘদিন কার্যকর রাখা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তাছাড়া ডেটা আদান-প্রদানের জন্য উচ্চগতির যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে। তবুও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলো এই সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ভবিষ্যতে যদি মহাকাশভিত্তিক ডেটা সেন্টার সফল হয়, তবে পৃথিবীর শক্তি ব্যবহারের ওপর চাপ কমতে পারে। একই সঙ্গে পরিবেশ দূষণও কিছুটা হ্রাস পাবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার ডেটা সেন্টারের চাহিদা আরও বাড়িয়ে তুলছে। ফলে নতুন ধরনের অবকাঠামো নিয়ে গবেষণার গুরুত্বও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মহাকাশভিত্তিক ডেটা সেন্টার এখনো পরীক্ষামূলক ধারণা হলেও এটি ভবিষ্যতের প্রযুক্তি শিল্পে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

bn_BDBengali