The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

রাশিয়া ১ কোটি ভ্যাকসিন উৎপাদনে যাবে আগামী মাসেই!

বার্তা সংস্থা তাস’কে এ কথা জানিয়েছেন রুশ শিল্পমন্ত্রী ডেনিস ম্যানতুরোভ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই নিজেদের তৈরি করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য প্রতিষেধক মানুষের ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলো রাশিয়া। এবার এই ভ্যাকসিন আগামী মাস হতেই বিপুল পরিমাণে উৎপাদনের কথা জানিয়েছে রাশিয়া।

রাশিয়া ১ কোটি ভ্যাকসিন উৎপাদনে যাবে আগামী মাসেই! 1

সোমবার বার্তা সংস্থা তাস’কে এ কথা জানিয়েছেন রুশ শিল্পমন্ত্রী ডেনিস ম্যানতুরোভ। তিনি বলেছেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাস হতেই ব্যাপক হারে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন উৎপাদন শুরু করবেন তারা। প্রথম কয়েক মাসে এক লাখ ডোজ করে করোনা টিকা উৎপাদন করা হবে। আগামী বছর হতে উৎপাদন করা হবে কয়েক কোটি ডোজ।

রুশ শিল্পমন্ত্রী জানান, একটি ভ্যাকসিন উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান মধ্য রাশিয়ার ৩টি স্থানে উৎপাদন প্রযুক্তি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।

জানা গেছে, এই গামালিয়ার ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অর্থায়ন করছে রাশিয়ার ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড। সংস্থাটির প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ এই বিষয়ে জানিয়েছেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিনটির নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদী।

দিমিত্রিয়েভ আরও বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে তা ঘটলে আমরা শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র নয়, অন্যান্য দেশের চেয়েও এগিয়ে থাকবো। কারণ করোনা ভাইরাসের প্রথম নিবন্ধিত ভ্যাকসিন হবে এটি।

শনিবার রুশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাশকো জানান, সাইবেরিয়াভিত্তিক ভেক্টর ল্যাব আরো একটি ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করছে। তা এখন ক্লিনিক্যালয় ট্রায়ালের মধ্যে রয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে মানবদেহে এটির পরীক্ষা শুরু হবে।

গামালেয়ার ওই ভ্যাকসিনটি তথাকথিত ভাইরাল ভেক্টর ভ্যাকসিন। এটি মূলত দেহে আরেকটি ভাইরাসে ডিএনএ এনকোডিং প্রবেশ করায়। যা কোষের প্রতিরোধ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এটি উদ্ভাবন করা হচ্ছে অ্যাডেনোভাইরাসের ভিত্তিতেই। একই রকমের প্রযুক্তির করোনা ভ্যাকসিনের প্রটোটাইপ উদ্ভাবন করেছে চীনের ক্যানসিনো। চীনের ভ্যাকসিনটি বর্তমানে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের শেষের দিকে রয়েছে। রোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখবে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...