The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ওজন কমাতে ওয়াটার থেরাপি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ পানির অনেক রকম ব্যবহার বা এর উপকারীতা আমরা জানি। তবে হয়তো আমাদের জানা নেই যে, এই পানি ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে। সেজন্য আসুন ওজন কমাতে কিভাবে এই ওয়াটার থেরাপি করতে হবে তা জেনে নিই।

ওজন কমাতে ওয়াটার থেরাপি 1

পানির বিকল্প নেই। দেহকে সচল রাখতে এবং গরমে ডিহাইড্রেশন এড়াতে সারাদিন ৭ হতে৮ লিটার পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। তবে ওজন কমাতেও পানি থেরাপি সেটি কিন্তু আগে কখনও শোনা যায়নি। তবে এই থেরাপি নাকি বহু প্রাচীন।

এই থেরাপির জন্ম হয়েছে জাপানে। জাপানিরা দীর্ঘকাল ধরেই ওজন কমানোর জন্য ওষুধ হিসেবে পানিই খেয়ে থাকেন। এখানে শুধু পানিকেই ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

কীভাবে করবেন এই ওয়াটার থেরাপি?

এই থেরাপির প্রধান লক্ষ্য থাকে, পানির ব্যবহারে পাকস্থলীকে যাতে সব থেকে ভালো কাজের অবস্থায় পৌঁছে দেওয়া যায়। একই সঙ্গে লক্ষ্য থাকে হজম শক্তি ফিরিয়ে আনা ও শরীরের সমস্ত অঙ্গ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। প্রায় ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে জাপানিরা এই উপায়ে বিশ্বাস রেখে আসছেন। যার ফলস্বরূপ হিসেবে সকল জাপানিরই মেদহীন স্বাস্থ্য।

সকালে ঘুম হতে উঠেই খালি পেটে ৪ হতে ৫ গ্লাস পানি খেতে হবে। শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর করতে সাহায্য করবে খালি পেটে পানি খাওয়ার এই অভ্যাস। আবার দাঁত ব্রাশ করার পরেও অন্তত ৪০ হতে ৪৫ মিনিট পানি ছাড়া অন্য কিছুই খাওয়া যাবেনা। খাবার প্রতিদিন এক সময়েই খেতে হবে। খাবার খাওয়ার পর কোনোভাবেই অন্তত দুই ঘণ্টা পানি খাওয়া যাবে না।

এই থেরাপি চলাকালে পানিই হোক বা অন্য কোনো খাবারই হোক, কখনও দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খাওয়া যাবে না। শারীরিক কোনো সমস্যা থাকলে কিংবা বার্ধক্যজনিত কারণে হঠাৎ করেই সকালে অনেকেই হয়তো ৪ গ্লাস পানি একবারে খেতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে আস্তে আস্তে পানির পরিমাণ বাড়াতে হবে। প্রথমে শুরু করতে হবে সকালবেলা বাসি মুখে এক গ্লাস পানি খাওয়ার মধ্যদিয়ে। এভাবে অন্যসব অভ্যাসগুলো গড়ে তুলুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...