The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

আপনার স্মার্টফোনের বৈধতা যেভাবে যাচাই করবেন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এখন থেকে অবৈধ বা চোরাই পথে আসা হ্যান্ডসেটে আর চলবে না মোবাইল সিম কার্ড। এখন থেকে নতুন হ্যান্ডসেট নেটওয়ার্কে সচল করতে হলে অবশ্যই তার আইএমইআই নম্বরটি বিটিআরসি’র ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থায় নিবন্ধিত করতে হবে।

আপনার স্মার্টফোনের বৈধতা যেভাবে যাচাই করবেন 1

শুধুমাত্র বৈধভাবে দেশে উৎপাদিত ও বৈধ পথে আমদানি করা হ্যান্ডসেটগুলো এনআইআর ব্যবস্থায় নিবন্ধিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যে কারণে চোরাই পথে আসা ও নকল হ্যান্ডসেট বাংলাদেশের নেটওয়ার্কে আর ব্যবহার করা যাবে না। এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই ফোন ব্যবহারকারীদের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, তিনি যে স্মার্টফোনটি ব্যবহার করছন সেটি আদতেও বৈধ নাকি অবৈধ!

তবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) খুব সহজেই এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে। তারা বলছেন, মোবাইল থেকে মেসেজ পাঠিয়ে গ্রাহকরা খুব সহজেই বৈধ বা অবৈধ মোবাইল চিহ্নিত হতে পারবেন।

বিটিআরসি জানিয়েছে যে, নতুন মোবাইল ফোন কেনার পূর্বে সেটির মোড়কের গায়ে লেখা ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বরটি দেখে তারপর নিতে হবে। তারপর ফোনে মেসেজ অপশনে গিয়ে বড় অক্ষরে কেওয়াইডি লিখে স্পেস দিয়ে ১৫ ডিজিটের ওই আইএমইআই নম্বরটি লিখে ১৬০০২ নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে। ফিরতি মেসেজে গ্রাহক বিটিআরসির তথ্যভান্ডারে ওই আইএমইআই নম্বরটি রয়েছে কি না, সেটি জানতে পারবেন।

বিটিআরসি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এনইআইআর সার্ভারে বাংলাদেশে উৎপাদিত ও বৈধভাবে আমদানি করা হ্যান্ডসেটগুলোর শনাক্তকরণ নম্বর বা আইএমইআই সংরক্ষণ করা থাকবে। বর্তমানে বিটিআরসির এনওসি অটোমেশন অ্যান্ড আইএমইআই ডাটাবেজ (এনএআইডি) সিস্টেমে প্রায় ১৪ কোটি আইএমইআই নম্বর সংযোজন করা হয়েছে। এনএআইডি সিস্টেমের আইএমইআইসমূহ, মোবাইল অপারেটরের ইআইআর ও বিটিআরসিতে স্থাপিত জাতীয় পর্যায়ের কেন্দ্রীয় এনইআইআর একটি সমন্বিত ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করছে।

এনইআইআর সার্ভারে সরাসরি প্রত্যেক মোবাইল অপারেটরের নিজ নিজ ইআইআর এর সঙ্গেও সংযুক্ত থাকবে। গ্রাহকদের মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট স্বয়ংক্রিয়ভাবেই মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিবন্ধিত হয়ে তবেই ব্যবহার উপযোগী হবে। এনইআইআর সব হ্যান্ডসেটের বৈধতা যাচাইয়ের মাধ্যমে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেটের প্রবেশাধিকার বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তও দেবে।

জানা গেছে, বিদেশ থেকে কেনা কিংবা উপহার হিসেবে পাওয়া মোবাইল সেটগুলোকেও নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হবে। গ্রাহকের উপর যেনো বাড়তি চাপ সৃষ্টি না হয় সেভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিদেশ থেকে আনা হ্যান্ডসেট ক্রয়ের কাগজপত্র দেখিয়ে ব্যবহারকারী নিজেই ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোন অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার হতে নিবন্ধন করে নিতে পারবেন।

তবে বিদেশ থেকে ব্যক্তিগত ব্যবহার কিংবা উপহারের জন্য হ্যান্ডসেট নিয়ে আসার ক্ষেত্রে একটা নির্দিষ্ট সংখ্যাও বেধে দেওয়া হবে। ওই সংখ্যার বেশি হ্যান্ডসেট আনলে সরকার নির্ধারিত কর পরিশোধ করতে হবে।

উল্লেখ্য, মূলত অবৈধ পথে হ্যান্ডস্টে আমদানি বন্ধ ও স্মার্টফোন ব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ বন্ধের জন্যই এনইআইআর সার্ভার চালু করছে সরকার। তাছাড়া অবৈধ পথে হ্যান্ডসেট আমদানি বন্ধ হলে সরকারের প্রতি বছর প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার বাড়তি রাজস্ব আয় নিশ্চিত হবে। আবার এ সার্ভারের ব্যবহার শুরু হলে মোবাইল হ্যান্ডসেট ছিনতাই ও চুরিও নিরুৎসাহিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...