The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

কৃষকদের সুরক্ষায় গার্ডিয়ান এবং উইগ্রো’র পার্টনারশীপ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ কৃষক এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সুরক্ষায় অ্যাগ্রি-টেক প্ল্যাটফর্ম উইগ্রো গ্লোবালের সাথে পার্টনারশীপ করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ইন্স্যুরেন্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

কৃষকদের সুরক্ষায় গার্ডিয়ান এবং উইগ্রো’র পার্টনারশীপ 1

এই কৌশলগত পার্টনারশীপের মাধ্যমে উইগ্রোর অর্থায়নে থাকা কৃষকেরা গার্ডিয়ান -এর ক্রেডিট শিল্ড ইন্স্যুরেন্স সুবিধা পাবেন। এতে কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনার কারণে কৃষকের জীবনহানি বা শারিরীক অক্ষমতা দেখা দিলে তাদের পরিবারের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকবে এবং বকেয়া ঋণ পরিশোধের নিশ্চয়তা মিলবে।

সম্প্রতি ঢাকায় গার্ডিয়ানের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ান এর অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড সিইও (এক্টিং) শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ এবং উইগ্রো গ্লোবালের চিফ অপারেশনস অফিসার ফাইয়াজ সাফির নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণও উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের অধিকাংশ কৃষক প্রান্তিক ও সীমিত সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। জীবিকার অনিশ্চয়তার কারণে তাদের আর্থিক সুরক্ষা নিয়েও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন প্রস্তুতি থাকে না। এই অবস্থার পরিবর্তনে গার্ডিয়ান ও উইগ্রোর অংশীদারিত্ব কৃষকদের জন্য উদ্ভাবনী আর্থিক সমাধান নিয়ে কাজ করবে, তাদের আর্থিক ঝুঁকি কমাবে এবং জীবিকা সুরক্ষিত করতে ভূমিকা রাখবে।

এ পার্টনারশীপকে টেকসই কৃষি উন্নয়নের প্রতি যৌথ অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করে শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ, বলেন, “এ অংশীদারিত্ব কৃষি ও ইন্স্যুরেন্স, দুই খাতেই এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। কৃষি আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড, আর কৃষকেরাই এর মূল চালিকাশক্তি। গার্ডিয়ান এবং উইগ্রো উভয় প্রতিষ্ঠানই কৃষকের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখাকে নিজেদের দায়িত্ব বলে মনে করে।”

উইগ্রো গ্লোবালের চিফ অপারেশনস অফিসার ফাইয়াজ সাফির বলেন, “উইগ্রো কৃষকদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গার্ডিয়ানের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন। এখন থেকে আমাদের কৃষক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা প্রয়োজনে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ইন্স্যুরেন্স প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সেবা পাবেন।”

অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। গার্ডিয়ান এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির হেড অব মাইক্রো ইন্স্যুরেন্স ডিজিটাল চ্যানেল অ্যান্ড এডিসি আব্দুল হালিম এবং মাইক্রো ইন্স্যুরেন্স ডিজিটাল চ্যানেল অ্যান্ড এডিসি এবং এভিপি মো. তানিম বুলবুল। উইগ্রো গ্লোবালের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির হেড অব অপারেশনস কেবিডি মো. রবিউল্লাহ ও বিডিইউ -এর হেড অব বিজনেস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি আরিফ রহমান।

খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

bn_BDBengali