‘লাখপতি’ কয়েকজন ‘তারকা’ ভিক্ষুকের গল্প!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ জীবিকার জন্য অর্থ সংগ্রহ আর সেই অর্থের পরিমাণ এতোটায় বিশাল হয়ে যায় যা শুনলে মানুষ আশ্চর্য না হয়ে পারে না।

Millionaire some star beggar story

আসলে অনেকেই টাকা রোজগারের জন্য ব্যবসা করেন, আাবার কেও করেন চাকরি, কেওবা আবার ভিন্ন কোনো পেশা বেছে নেন। আবার স্রেফ বেঁচে থাকার তাগিদে অক্ষম মানুষরা ভিক্ষাবৃত্তির পথ বেছে নেন।

তবে এমনও অনেকেই রয়েছেন যারা ভিক্ষাকে শুধু বেঁচে থাকার জন্য নয়, পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তাদের আয় অনেক বড় বড় ব্যবসায়ীর চেয়েও বেশি। দিনের বেলা তিনি শতছিন্ন জামা পড়ে, তোবড়ানো থালা হাতে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে হাত পাতেন। আর রাতে শুতে যান বিলাসবহুল নিজস্ব ফ্ল্যাট বাড়িতে! ভারতের এমন কিছু লাখপতি ভিক্ষুকদের খোঁজ পাওয়া গেছে। যাদের কথা শুনলে আপনিও চমকে যাবেন।

সারভাতিয়া দেবী:

পাটনায় অশোক সিনেমা হলের পিছনে ভিক্ষা করেন সারভাতিয়া দেবী। তিনিই ভারতের তৃতীয় ধনী ভিক্ষুক হিসেবে পরিচিত। বছরে ৩৬ হাজার রুপি এলআইসি প্রিমিয়াম দেন সারভাতিয়া দেবী!

ভরত জৈন:

ভারতের সবচেয়ে ধনী ভিক্ষুকের নাম ভরত জৈন। ৪৯ বছর বয়সের ভরত জৈনের মুম্বাইয়ের প্যারেল এলাকায় রয়েছে তার দু’টি ফ্ল্যাট। প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭০ লাখ রুপি। ভরত জৈনের মাসিক আয় ৬০ হাজার রুপির মতো।

শম্ভূজি:

ভিক্ষা করার জন্য মুম্বাইয়ের সুবারবান এলাকা সবচেয়ে যার পছন্দ তার নাম হলো শম্ভূজি। শম্ভূজির প্রতিদিন রোজগার প্রায় ১ হাজার রুপি। শোলাপুরে রয়েছে নিজস্ব বাড়িও। শম্ভূজির মতে, এই পেশা তার খুবই ভালো লাগে। কারণ হলো এখানে কোনও ইনভেস্টমেন্ট করার প্রয়োজন পড়ে না।

মালানা:

ভারতের ধনী ভিক্ষুকদের মধ্যে তিনি রয়েছেন ষষ্ঠতম স্থানে। মালানার রয়েছে একটি অটোরিক্সা। প্রতিদিন সকালে অটো চালিয়ে ভিক্ষার স্থানে আসেন মালানা। পোশাক পরিবর্তন করে ছেড়া পোশাক পরে ভিক্ষা করতে বসেন মালানা। ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা তার ডিউটি। এভাবেই বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন মালানা!

লক্ষ্মীদেবী:

লক্ষ্মীদেবীর প্রথম ভিক্ষা জীবনের শুরু হয় কোলকাতা হতে। পোলিওতে দু’পা-ই অক্ষম তার। ১৯৬৪ সাল হতে ভিক্ষাবৃত্তিতে রয়েছেন লক্ষ্মীদেবী। যখন তার বয়স মাত্র ১৬ তখন থেকেই তার ভিক্ষাবৃত্তি শুরু। ৫০ বছরে লক্ষ্মীদেবীর বিপুল ব্যাংক ব্যালেন্স হয়েছে। ব্যাংক হতে তাকে ক্রেডিট কার্ডও দেওয়া হয়েছে।

কৃষ্ণ কুমার গিটে:

মুম্বইয়ের চারনি রোড এলাকায় বসবাস করেন এই কৃষ্ণ কুমার। সেখানে গেলে দেখাও পেয়ে যেতে পারেন আপনি। ভিক্ষাবৃত্তি করে তিনি প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ১ হাজার ৫০০ রুপি রোজগার করেন। পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন নাল্লাসোপারার একটি অ্যাপার্টমেন্টে।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...